[CRK] নাহিদা আক্তার, শারমিন সুলতানাকে ফাইন করল আইসিসি: বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দলের নৈতিকতা আইন লঙ্ঘন
[CRK]
বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সদস্য নাহিদা আক্তার ও শারমিন সুলতানা আইসিসি কোড অফ কনডাক্ট লঙ্ঘনের জন্য শাস্তি পেয়েছেন। তাদের উপর ম্যাচ ফির 10% জরিমানা আরোপ করা হয়েছে, পাশাপাশি প্রত্যেকের নামে একটি করে ডেমেরিট পয়েন্ট যুক্ত হয়েছে।
কী ঘটেছিল দ্বিতীয় ওডিআইতে?
ঘটনাটি ঘটেছিল শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে। আইসিসি তাদের লেভেল 1 অপরাধের জন্য শাস্তি দিয়েছে, যা আচরণগত বিধির মৃদু লঙ্ঘনকে নির্দেশ করে।
নাহিদার আচরণ
শ্রীলঙ্কার ইনিংসের 17তম ওভারে নাহিদা আক্তার শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আথাপাথুকে আউট করার পর প্যাভিলিয়নের দিকে ইশারা করেন। এই ইশারা এমন ছিল যা হতে পারে প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানের পক্ষে উত্তেজনাপূর্ণ প্রতিক্রিয়া ডেকে আনতে পারে।
এ জন্য তাঁকে কোডের ধারা 2.5-এর আওতায় দায়ী করা হয়েছে, যা বলে: এমন ভাষা বা অঙ্গভঙ্গি ব্যবহার নিষিদ্ধ যা ব্যাটসম্যানের আবেগকে উস্কাতে পারে।
শারমিনের আবেগপ্রবণতা
অন্যদিকে, শারমিন সুলতানা বাংলাদেশের ইনিংসে আউট হওয়ার পর বিচারকের সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। লেগ বিফোর উইকেট (LBW) আউটের সিদ্ধান্তের পর তিনি স্পষ্টভাবে হতাশা প্রকাশ করেন এবং ক্রিজ ছাড়তে দেরি করেন।
এটি ধারা 2.8-এর লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হয়, যা অবৈধভাবে খেলার সময় নষ্ট করা অথবা অনাবশ্যক ভাবে ক্রিজে থাকাকে নিষিদ্ধ করে।
কে চার্জ আনে এবং সিদ্ধান্ত নেয়?
চার্জগুলো আনেন মাঠের আম্পায়ার এলোয়াইজ শেরিডান ও রোকেয়া সুলতানা, তৃতীয় আম্পায়ার ডন্নি রানি সরকার এবং চতুর্থ আম্পায়ার সাথিরা জাকির জেসি।
শাস্তির প্রস্তাব করেন আইসিসির আন্তর্জাতিক প্যানেলের ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানি দাস।
শুনানি ছাড়াই শাস্তি
যেহেতু উভয় খেলোয়াড়ই তাদের ভুল স্বীকার করেছেন এবং শাস্তি মেনে নিয়েছেন, তাই কোনও আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। তাদের প্রথম ডেমেরিট পয়েন্ট গত 24 মাসের মধ্যে তাদের রেকর্ডে যুক্ত হয়েছে।
সিরিজের ফলাফল
উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কা তিন ম্যাচের সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে জিতে নেয়। বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়ার পর পরপর দুটি ম্যাচ হেরে যায়।
আইসিসির এই সতর্কতা স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে যে, ক্রিকেটের মর্যাদার সঙ্গে সঙ্গত আচরণ প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জন্য বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে মহিলা ক্রিকেটে পেশাদারিত্বের মান বজায় রাখতে এমন বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে এখনও ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
