[CRK] নাহিদ রানাকে ঘিরে টাসকিন আহমেদের প্রশংসা: “তিনি বাংলাদেশের জন্য এক বিরাট সম্পদ”
[CRK]
“নাহিদ রানা এক বিরাট সম্পদ” – তরুণ পেসারকে ঘিরে টাসকিন আহমেদের প্রশংসা
নাহিদ রানার ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী টাসকিন
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রধান পেসার টাসকিন আহমেদ বলেছেন, তরুণ দ্রুত বোলার নাহিদ রানা দলের জন্য এক অপরিহার্য সম্পদ। নাহিদের অসাধারণ পারফরম্যান্সের পাশাপাশি তিনি চান, বিশ্বকাপের আগে সব পেসারই আঘাতমুক্ত থাকুক এবং তাদের ফর্ম স্থিতিশীল হয়ে থাকুক।
২০২৭ বিশ্বকাপের দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ
২০২৭ একদিনের বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে বলে মনে করেন টাসকিন আহমেদ। তিনি বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের পেস বোলারদের দারুণ পারফরম্যান্স দেখে ভালো লাগছে। আমি শুধু চাই এই ধরনের সামঞ্জস্য বজায় থাকুক। বিশ্বকাপ এখন মাত্র এক বছর দূরে। আমি দোয়া করি যেন আমাদের সব পেসারই ফিট থাকে। এর মধ্যে আরও অনেক ম্যাচ চলেছে এবং বিসিবি সদস্যদের কাজের চাপ যথাযথভাবে ম্যানেজ করার চেষ্টা করছে। আশা করি, ভালো ফলাফল আমাদেরই হবে।”
নাহিদ রানাকে ঘিরে কী বললেন টাসকিন?
নাহিদ রানার পারফরম্যান্স উল্লেখ করে টাসকিন আহমেদ বলেছেন, “অসাধারণ। তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এক বিরাট সম্পদ। আল্লাহ তাঁকে সুস্থ রাখুন এবং কোনো অপ্রিয় ঘটনা থেকে তাঁকে দূরে রাখুন। যদি তাঁকে সঠিকভাবে ম্যানেজ করা হয়, তবে সে একজন মহান ক্রিকেটার হয়ে দেশের জন্য অনেক কিছু করতে পারবে। সে খুবই পরিশ্রমী ছেলে।”
পেস ইউনিটের মোটামুটি উন্নতি
টাসকিন শুধু নাহিদ রানার প্রশংসা করেননি, তিনি মুস্তাফিজুর রহমান, শরীফুল ইসলামসহ অন্যান্য পেসারদেরও প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মনে হয়েছে, বাংলাদেশের পেস ইউনিটের গুণগত মান গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
গত বনাম বর্তমান: একটি তুলনা
টাসকিন বলেন, “আমাদের পেস বোলারদের এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রায় ৮ থেকে ১০ জন। সবাই নিজেকে আরও ভালো করতে চাইছে। কয়েকদিন আগে ড্রেসিং রুমে আমরা কথা বলছিলাম – ৬-৭ বছর আগে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আমাদের পেস বোলিংয়ে আধিপত্য বিস্তারের কোনো সম্ভাবনা ছিল না। তারা আমাদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করত। কিন্তু আজ, এমনকি আমাদের ঘরের মাঠে, আমরা নিউজিল্যান্ড বা পাকিস্তানের মতো দলকেও পেস বোলিংয়ে চাপে ফেলছি। আমাদের জন্য এটা একটা বড় সাফল্য।”
উপসংহার
বাংলাদেশের ক্রিকেটে পেস বোলারদের উঠতি খুব শীঘ্রই তাঁদের আন্তর্জাতিক খাতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নাহিদ রানার মতো তরুণ তারকা উঠে এসে দলে নতুন আশা জাগিয়েছেন। টাসকিন আহমেদের আশাবাদী মন্তব্য দেখায়, দল কেবল পারফরম্যান্সেই নয়, ভবিষ্যতের প্রতিও নজর রাখছে। আসন্ন বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটা দেখার বিষয়।
