[CRK] নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্য নতুন পেস জুটিকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত শন টেইট
[CRK]
নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্য নতুন পেস জুটিকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত শন টেইট
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বাংলাদেশ দলে এসেছে বড় পরিবর্তন। অভিজ্ঞতাসম্পন্ন তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান এবং নাহিদ রানাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। তাদের অনুপস্থিতিতে জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়া দুই তরুণ তুর্কি আব্দুল গাফফার সাকলাইন এবং রিপন মন্ডল প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন জাতীয় দলে। এই নতুন মুখদের নিয়ে উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশ দলের পেস বোলিং কোচ শন টেইট।
নতুনদের নিয়ে আশাবাদী কোচ
মূলত জাতীয় দলের ক্যাম্পের বাইরেও সাকলাইন ও রিপনের সাথে কাজ করার সুযোগ হয়েছে শন টেইটের। তারা এখন মূল স্কোয়াডের অংশ হওয়ায় কোচের আগ্রহের মাত্রা আরও বেড়েছে। ওয়ানডে সিরিজের নির্ণায়ক ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে টেইট বলেন, ‘আমি মনে করি তারা তাদের পারফরম্যান্স দিয়েই দলে জায়গা করে নিয়েছে। জাতীয় দলে নতুন মুখ দেখা সব সময়ই দারুণ ব্যাপার। আমি তাদের গত কয়েক মাসে খুব কাছ থেকে দেখেছি। বিশেষ করে বিপিএল এবং ইমার্জিং দলের হয়ে গত ১২ মাস তারা দুর্দান্ত খেলেছে।’
তরুণদের কাছ থেকে প্রত্যাশা
সাকলাইন ও রিপনের সাথে গত কয়েক সপ্তাহ কাজ করার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে টেইট বলেন, ‘গত এক বা দেড় মাস ধরে আমি তাদের সাথে সময় কাটিয়েছি। তারা দুজনই অসাধারণ ছেলে এবং কাজ করার জন্য চমৎকার। তরুণ খেলোয়াড়রা দলে আসলে বাড়তি এনার্জি পাওয়া যায়, যা পুরো দলের জন্যই ইতিবাচক। টি-টোয়েন্টি সিরিজে তাদের সাথে কাজ করার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’
বাংলাদেশি পেসারদের সাথে কাজের অভিজ্ঞতা
শুধুমাত্র এই দুজন নয়, বরং পুরো বাংলাদেশি পেস বোলিং ইউনিট নিয়েই নিজের সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন এই অস্ট্রেলিয়ান গ্রেট। তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিই এই দায়িত্বটি খুব উপভোগ করছি। বোলাররা প্রতিনিয়ত উন্নতি করছে, আর একজন কোচ হিসেবে এর চেয়ে বড় তৃপ্তির জায়গা আর কিছু হতে পারে না। আপনি স্বাভাবিকভাবেই এমন খেলোয়াড়দের পথ দেখাতে চাইবেন যারা শিখতে আগ্রহী। আমরা সবাই একটি দলের অংশ এবং আমি নিজেকে এই বোলিং গ্রুপের একজন অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করি। প্রায় এক বছর হতে চলল আমি এখানে আছি এবং প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করেছি।’
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশি পেসারদের সক্ষমতা নিয়ে টেইট বেশ আশাবাদী। তিনি বিশ্বাস করেন, সঠিক দিকনির্দেশনা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে এই বোলাররা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের আলাদা উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারবে। নতুনদের সুযোগ দেওয়া মানেই হলো একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়ার শুরু। সাকলাইন ও রিপনের মতো তরুণরা যদি নিজেদের মেলে ধরতে পারে, তবে আগামী দিনে বাংলাদেশ দলের বোলিং আক্রমণ আরও ধারালো হবে।
নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশন এবং টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে টেইট তাদের মানসিক ও কারিগরি দিক নিয়ে কাজ করছেন। সাকলাইন ও রিপন মন্ডলের জন্য এটি যেমন নিজেদের প্রমাণের বড় সুযোগ, তেমনি কোচের আস্থার প্রতিদান দেওয়ারও সময়। এখন দেখার বিষয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মঞ্চে এই তরুণরা নিজেদের কতটা উজাড় করে দিতে পারে।
